
ইমাম হোসেন জীবন চট্টগ্রামঃ
ওশান পার্ক, এমিউজমেন্ট পার্ক ও মুক্তিযুদ্ধের
স্মৃতিস্তম্ভ প্রকল্পে সহযোগিতা চাইলেন মেয়র।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো.রেজাউল করিম চৌধুরীর সাথে টাইগারপাসস্থ চসিকের অস্থায়ী কার্যালয়ের মেয়র দপ্তরে থাইল্যান্ড’র রাষ্ট্রদূত এইচ.ই মিসেস মাকাওয়াদী সুমিতমোর সৌজন্য সাক্ষাত করতে আসেন।
রাষ্ট্রদূত মাকাওয়াদী কর্পোরেশন কার্যালয়ে এসে পৌঁছালে তাঁকে লাল গালিচা সংবর্ধনা ও ফুল দিয়ে উষ্ণ অর্ভ্যথনা জানান মেয়র রেজাউল। স্বাক্ষাতকালে তাদের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলাপ আলোচনা হয়।
এসময় থাই রাষ্ট্রদূত চট্টগ্রাম নগরীর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যরে প্রশংসা করে বলেন, আমরা এই নগরীকে পরিকল্পিত ও পরিবেশবান্ধব করে গড়ে তুলতে সহযোগিতার হাত প্রসারিত করতে চাই।
মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন,সমুদ্র,পাহাড়,নদী ঘেরা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যরে লীলাভূমি চট্টগ্রাম। চট্টগ্রামে এলে যে কেউ চট্টগ্রামের রূপে বিমোহিত হয়। নগরীর এই সৌন্দর্য্য ধরে রাখতে আমরা প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছি।
আমরা ইতিমধ্যে কাট্টলী লিংক রোডে ওশান পার্ক, এমিউজমেন্ট পার্ক ও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি স্তম্ভ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছি। তিন প্রকল্পে থাইল্যান্ডের সহযোগিতার জন্য থাই রাষ্ট্রদূতকে অনুরোধ জানান মেয়র।
তিনি ইতিপূর্বে পাহাড় ধস রোধে বিন্যা ঘাস প্রকল্পে থাইল্যান্ড সহযোগিতা করায় রাষ্ট্রদূতকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে বলেন, অতিবৃষ্টি বা ভারি বর্ষণে চট্টগ্রামের পাহাড়ী এলাকার পাহাড় ধস ও ভূমি ক্ষয়রোধে ‘জাদুর ঘাস’ খাত বিন্যা ঘাস পরিবেশবিদদের কাছেও প্রশংসা কুড়িয়েছে।
থাই সহযোগিতায় আমরা আগামীতে এই প্রকল্পকে আরো সম্প্রসারিত করতে চাই। সাক্ষাতকালে চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শহীদুল আলম, প্যানেল মেয়র মো. গিয়াস উদ্দিন,প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম মানিক,মেয়রের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেম, থাইল্যান্ডের বাংলাদেশস্থ কনসোল চেম্বারের সাবেক সভাপতি আমির হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।