কাপ্তাইয়ে কম্প্রিহেনসিভ কমিউনিটি হেলথ প্রোগ্রামের ইনসেপশন সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

 

রবিউল হোসেন চৌধুরী রিপনঃ

রাঙামাটি জেলার কাপ্তাইয়ে কম্প্রিহেনসিভ কমিউনিটি হেলথ প্রোগ্রাম, চলমান—এর নতুন পর্যায়ের “প্রকল্পের ইনসেপশন সভা (সূচনা পর্ব)” অনুষ্ঠিত হয়েছে। খ্রীষ্টিয়ান হাসপাতাল চন্দ্রঘোনা ও স্থানীয় উন্নয়ন সংস্থা হিল ফ্লাওয়ার এর আয়োজনে রবিবার (৩০ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সিএইচডিএফ উসংবাই মারমার উপস্থাপনায় সভায় সভাপতিত্ব করেন,চন্দ্রঘোনা খ্রীষ্টিয়ান হাসপাতালের পরিচালক ডা. প্রবীর খিয়াং।তিনি আরও জানান, প্রোগ্রামটি ২০০৬ সাল থেকে কাপ্তাই উপজেলার সকল ইউনিয়ন এবং রাঙ্গুনিয়া ১১নং চন্দ্রঘোনা কদমতলী ইউনিয়নে স্বাস্থ্য ও স্যানিটেশন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল (MDG) অনুযায়ী মা ও শিশু স্বাস্থ্য, প্রজনন স্বাস্থ্য, ম্যালেরিয়া,

0-0x0-0-0#

পানিবাহিত রোগ ও নিউমোনিয়া প্রতিরোধে মাঠ পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে ২০১৬ সালের পর থেকে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (SDG) অনুযায়ী নারীর সক্ষমতা বৃদ্ধি, নারীর অধিকার, বিভিন্ন সচেতনতা কর্মশালা, সেমিনার, উঠান বৈঠক ও অ্যাডভোকেসি কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে প্রকল্পটি নতুন কর্ম এলাকা ও নতুন কার্যক্রমসহ আরও তিন বছরের জন্য পুনরায় বাস্তবায়ন শুরু করেছে। নতুন পর্যায়ে স্বাস্থ্য সচেতনতা, জেন্ডার উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ প্রতিরোধ বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানান প্রোগ্রাম ম্যানেজার। খ্রীষ্টিয়ান হাসপাতাল চন্দ্রঘোনা ও হিল ফ্লাওয়ারের পক্ষ থেকে সকলকে ধন্যবাদ জানানো হয়। প্রোগ্রামটি জার্মানভিত্তিক দাতা সংস্থা “ব্রেড ফর দ্য ওয়ার্ল্ড”-এর আর্থিক সহযোগিতায় পরিচালিত হচ্ছে। প্রথমে খ্রীষ্টিয়ান হাসপাতাল চন্দ্রঘোনা এককভাবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করলেও, ২০১৯ সাল থেকে স্থানীয় উন্নয়ন সংস্থা হিল ফ্লাওয়ার অংশীজন হিসেবে কর্মসম্পাদন করছে।

সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রকল্পটি দেশের স্বাস্থ্য ও উন্নয়ন খাতে সরকারের লক্ষ্য অর্জনে কাজ করে যাচ্ছে।সভাপতির বক্তব্যে চন্দ্রঘোনা খ্রীষ্টিয়ান হাসপাতালের পরিচালক ডা. প্রবীর খিয়াং বলেন, কম্প্রিহেনসিভ কমিউনিটি হেলথ প্রোগ্রাম এলাকার স্বাস্থ্য সেবা, সচেতনতা বাড়ানো এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর কাছে সেবা পৌঁছে দিতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে। তিনি বলেন, নতুন পর্যায়ের কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়নে হাসপাতাল, হিল ফ্লাওয়ার, স্থানীয় প্রশাসন ও কমিউনিটির সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মানুষের জীবনমান উন্নয়নে প্রকল্পের ভূমিকা আরও শক্তিশালী হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন। সূচনা পর্ব অনুষ্ঠানে সরকারি কর্মকর্তাসহ কাপ্তাই,  রাঙ্গুনিয়া, রাজস্থলী  এবং বিলাইছড়ি  উপজেলায় কর্মরত প্রিন্ট্র ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকগণ, জনপ্রতিনিধি, হেডম্যান, কারবারি, এনজিও কর্মী  এবং প্রকল্পের উপকারভোগীরা অংশ নেন।

সোস্যাল নেটওয়ার্ক

সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত